গুদ শব্দটি এসেছে গুদাম (গুদ+আম) থেকে, কারন গুদামের দরজা ছোট কিন্তু ভেতরটা অনেক বড়!-নিপা
গুদ শব্দটি এসেছে গুদাম (গুদ+আম) থেকে, কারন গুদামের দরজা ছোট কিন্তু ভেতরটা অনেক বড়!
.
ঠিক তেমনি গুদেরও দরজা ছোট কিন্তু ভেতর অনেক বড় এবং ঠিক কাটা অামের মতো সাইজ তাই এর নাম গুদ!
.
.
এটি মেয়েদের কোমরের ঠিক নিচে দুটো পায়ের ঠিক সংযোগস্থলে অবস্থিত..দরজার ন্যায় অবস্থান করে আছে দুটি সুডৌল লোভনীয় মাংসল পেশি..
😜
.
.
এর ঠিক ১.৫ ইঞ্চি উপরে রয়েছে বেশ কিছুটা অঞ্চল জুড়ে কালো কালো কোকড়ানো চুলের মায়াবী বাহার!দুটো মাংসল পেশীর মধ্যবর্তী অংশে বেশ কিছু পর্দা বেষ্টিত হয়ে থাকে।
😁
.
.
এটিতে মাসে একবার জোয়ার আসে যাহা ৩-৪ দিন থাকে এবং পুরো মাস ভাটা চলে।/ তাই স্বামী গুদগুদানন্দ জ্বী তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্যে "গুদসুধা" তে ১৩৪ নং পৃষ্ঠাতে গুদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে লিখেছেন,
.
ঠিক তেমনি গুদেরও দরজা ছোট কিন্তু ভেতর অনেক বড় এবং ঠিক কাটা অামের মতো সাইজ তাই এর নাম গুদ!
.
.
এটি মেয়েদের কোমরের ঠিক নিচে দুটো পায়ের ঠিক সংযোগস্থলে অবস্থিত..দরজার ন্যায় অবস্থান করে আছে দুটি সুডৌল লোভনীয় মাংসল পেশি..
.
.
এর ঠিক ১.৫ ইঞ্চি উপরে রয়েছে বেশ কিছুটা অঞ্চল জুড়ে কালো কালো কোকড়ানো চুলের মায়াবী বাহার!দুটো মাংসল পেশীর মধ্যবর্তী অংশে বেশ কিছু পর্দা বেষ্টিত হয়ে থাকে।
.
.
এটিতে মাসে একবার জোয়ার আসে যাহা ৩-৪ দিন থাকে এবং পুরো মাস ভাটা চলে।/ তাই স্বামী গুদগুদানন্দ জ্বী তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্যে "গুদসুধা" তে ১৩৪ নং পৃষ্ঠাতে গুদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে লিখেছেন,
"গুদ সাগরের ন্যায়". স্বামী গুদগুদানন্দ মহারাজ জী কে এই মহাকাব্যে গুদেশ্বর সম্মানে সন্মানিত করেছিলেন বিশ্ব গুদ সংস্থা (WGO)..
😃
.
.
পুর্নিমার চাঁদের আলোয় গুদ অমায়িক শোভা বর্ধন করে, ভারতের বিভিন্ন সাহিত্যিক তাহাদের গ্রন্থে বিভিন্ন মতবাদ লিখে আজও আমাদের কাছে চির অমর হয়ে আছেন..
.
যেমন বিশ্বকবি ফেদাচন্দ্র গুদ্যাসাগর দাস তার এক কবিতায় লিখেছেন-
.
.
পুর্নিমার চাঁদের আলোয় গুদ অমায়িক শোভা বর্ধন করে, ভারতের বিভিন্ন সাহিত্যিক তাহাদের গ্রন্থে বিভিন্ন মতবাদ লিখে আজও আমাদের কাছে চির অমর হয়ে আছেন..
.
যেমন বিশ্বকবি ফেদাচন্দ্র গুদ্যাসাগর দাস তার এক কবিতায় লিখেছেন-
"গুদ গুদ গুদেশ্বর,
গুদ বড়ই ভয়ঙ্কর,
গুদ যদি রেগে যায়,
সব বাড়াকেই গিলে খায়"
গুদ বড়ই ভয়ঙ্কর,
গুদ যদি রেগে যায়,
সব বাড়াকেই গিলে খায়"
....এর জন্য তিনি ১৯৭১ সালে গুদ্যাসাগর উপাধি অর্জন করেছেন..
☺
.
সাহিত্য সম্রাট বালেশ্বর বসু তার এক সাহিত্যে লিখেছেন,
.
"গুদ এমন এক অঙ্গ যাহার মধ্যে বাড়া চালনা করিয়া স্বর্গসুখ লাভ করা যায়..এই সাহিত্যে ইনি 'গুদভূষন' উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন..
.
.
.
গুদ এখন অনেক সস্তা হয়ে গিয়েছে ভারতে ৫০,১০০,১৫০ টাকায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে গুদ পাওয়া যায়...
.
.
আমাদের বন্ধুদেশ ভারতবর্ষ আর কিছুদিনের মধ্যে গুদতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাশ্বের কাছে বিবেচিত হইবে তাই আমরা গর্বিত,.
.
.
গুদ সর্বদা উন্মুক্ত থাকে না তাই বাইরে থেকে গুদের আকৃতি এবং প্রকৃতি বোঝা সম্ভব হতো না আগে. কিন্তু ১৯৮৮ সালের পর বাইরে থেকে গুদ চেনা সম্ভব হয়েছে।
.
.
বিগত ১৮ বছর ৭মাস কঠোর পরিশ্রমে গবেষনা করার পর ১৯৮৮ সালে ডাঃ চোদনবাজ মিশ্র আবিষ্কার করেছেন যে "মেয়ের ঠোট দেখে গুদের আকৃতি প্রকৃতি বোঝা সম্ভব। এটি সকলের জানা।
.
গুদ একটি অত্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে ১৪ফেব্রুআরি 'আন্তর্জাতিক গুদ দিবস' হিসেবে বিবেচিত দিনটি পালন করি.
..
😃
.
.
সাহিত্য সম্রাট বালেশ্বর বসু তার এক সাহিত্যে লিখেছেন,
.
"গুদ এমন এক অঙ্গ যাহার মধ্যে বাড়া চালনা করিয়া স্বর্গসুখ লাভ করা যায়..এই সাহিত্যে ইনি 'গুদভূষন' উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন..
.
.
.
গুদ এখন অনেক সস্তা হয়ে গিয়েছে ভারতে ৫০,১০০,১৫০ টাকায় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে গুদ পাওয়া যায়...
.
.
আমাদের বন্ধুদেশ ভারতবর্ষ আর কিছুদিনের মধ্যে গুদতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বাশ্বের কাছে বিবেচিত হইবে তাই আমরা গর্বিত,.
.
.
গুদ সর্বদা উন্মুক্ত থাকে না তাই বাইরে থেকে গুদের আকৃতি এবং প্রকৃতি বোঝা সম্ভব হতো না আগে. কিন্তু ১৯৮৮ সালের পর বাইরে থেকে গুদ চেনা সম্ভব হয়েছে।
.
.
বিগত ১৮ বছর ৭মাস কঠোর পরিশ্রমে গবেষনা করার পর ১৯৮৮ সালে ডাঃ চোদনবাজ মিশ্র আবিষ্কার করেছেন যে "মেয়ের ঠোট দেখে গুদের আকৃতি প্রকৃতি বোঝা সম্ভব। এটি সকলের জানা।
.
গুদ একটি অত্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে ১৪ফেব্রুআরি 'আন্তর্জাতিক গুদ দিবস' হিসেবে বিবেচিত দিনটি পালন করি.
...





No comments